বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৪ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ অবস্থানের মেয়াদ কিভাবে জানবেন, জানাল মার্কিন দূতাবাস অস্ট্রেলিয়াতে গিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো অনেক বড় ব্যাপার: টাইগার বোলিং কোচ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়া নিয়ে যা বললেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী লুট-অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হালান্ড-চেরকির জোড়া গোলে ম্যানসিটির দাপুটে জয় রোনালদোর গোলে আল নাসরের জয়, গড়লেন রেকর্ড টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের সেমিতে বাংলাদেশ এইচপি দল এআই ব্যবহার করে মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা যাবে না: প্রধান বিচারপতি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান

আবারও ফিরতে যাচ্ছে লা নিনা

আবারও ফিরতে যাচ্ছে অস্বাভাবিক আবহাওয়া পরিস্থিতি লা নিনা। এমন আশঙ্কার কথাই জানিয়েছেন নাসার জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা। তাদের ধারণা, ২০২২ সালের তুলনায় অনেকটাই উষ্ণ হবে ২০২৩ সাল। এরই মধ্যে লা নিনার প্রভাবে ভয়াবহ দাবানল সতর্কতা জারি করেছে অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস কর্তৃপক্ষ।

সমুদ্রের ও আবহাওয়ার তাপমাত্রার ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার জেরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়, তা এল নিনো এবং লা নিনা নামে পরিচিত। স্প্যানিশ ভাষায় যার যথাক্রমে বালক ও বালিকা। লা নিনা দিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্ব উপকূলেরর শীতল অবস্থা এবং এল নিনো দিয়ে উষ্ণ অবস্থা বোঝানো হয়।

ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি মাসের মধ্যে প্রতি তিন ও সাত বছর অন্তর আবহাওয়ার এই বদল এল নিনো ঘটে। এর প্রভাবে অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া অঞ্চলের ওপর উচ্চচাপ এবং পেরু, চিলি, ইকুয়েডরের উপকূলে নিম্নচাপ তৈরি হয়। যাতে একদিকে প্রচুর বৃষ্টিপাত ও বন্যা পরিস্থিতির পাশাপাশি সাইক্লোন ও টাইফুনের প্রবণতাও যেমন বেড়ে যায়, তেমনি অন্যদিকে ঘটে খরার প্রাদুর্ভাব।

এল নিনোর বিপরীত অবস্থা হল লা নিনা। লা নিনার প্রভাবে প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম উপকূলে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটে ও পূর্ব উপকূলে শুষ্ক পরিস্থিতির বিকাশ ঘটে।

নাসার জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, আবারও ফিরতে যাচ্ছে লা নিনা। তাদের ধারণা, এর জেরে ২০২৩ সাল ২০২২ সালের চেয়ে বেশি উষ্ণ হবে। যা ২০২৪ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নাসার জিআইএসএসের পরিচালক গ্যাভিন স্মিত বলেন, প্রতি দশকে পৃথিবী প্রায় শূন্য দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণ হচ্ছে। এর প্রায় এক তৃতীয়াংশই এল নিনো এবং লা নিনার প্রভাবে। আমাদের সামনে আবারো বড় চ্যালেঞ্জ এল নিনো। আমাদের শঙ্কা এবারের লা নিনার উষ্ণতা ২০১৬ সালের এল নিনোর মতোই ভয়াবহ হতে যাচ্ছে।

নাসা জানিয়েছে, ১৯ শতকের শেষ দিকে এই পৃথিবী যতটা উষ্ণ ছিল তার তুলনায় ২০২২ সালে পৃথিবীর তাপমাত্রা ছিল প্রায় ১.১ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড বেশি। সেই ধারাবাহিকতা ২০২৩ ও ২০২৪ সালেও অব্যাহত থাকবে বলে সতর্ক করেন বিজ্ঞানীরা।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com